অবহেলা..... কথার স্রোতে শাখাওয়াত




     

 
 
           
     

                         অবহেল
               কথার স্রোতে শাখাওয়াত


আমার পৃথীবির সবটা জুরে আছো তুমি....... হে   প্রিয়তমা

তোমাকে ভালোবাসে কেউ একজন  প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছে কেমন আছো তুমি...?
কি করছো, খেয়েছো কি না এই রকম কথা বার্তা তোমার প্রতিনিয়ত  খোজ রাখছে।
কেয়ার করছে কিন্তু তুমি তার মূল্য দিলে না,, অবহেলা করে যাচ্ছো, 
শত ব্যস্ততার মাঝেও কেউ একজন তোমাকে এই ভাবে খোঁজ রাখছে অথচ এতে তোমার কিছু যায় আশে না।
অবহেলা করেই যাচ্ছো,  তোমার  অবহেলা পেয়ে মানুষটা খুব কষ্ট পাবে তা তুমি ভাবনী।
প্রতি রাতে কেদেঁ কেদেঁ চোখ লাল করবে তবুও তোমার খোঁজ রাখছে প্রতিনিয়ত,
তুমি হয়তো ভাববে যে এতো কষ্ট দেওয়ার পরেও আমাকে ভুলেনি।
 না জানি আমাকে কতটা ভালোবাসে,
আর হে এইটা আসলেই সত্যি  আমি তাকে অনেক ভালোবাসি আর এই দুর্বলতা  পেয়ে
 তুমি প্রতিনিয়ত অবহেলা করেই যাচ্ছো আমাকে,
একদিন, দুইদিন, মাস,বছর।
তার পর সে তোমার খোঁজ আর রাখছে না তোমার মোবাইল ফোনে তার  কোন মেসেজিং  নাই।
 কোনে কল নাই, তুমি হয়তো অবাক হয়ে যাবে, ভাববে কি ব্যাপার তার  কোন খবর নাই কেন...?
হয়তো তোমার মন খারাপ হয়ে যাবে।
তুমি  হয়তো ব্যাস্ত হয়ে পরবে তার খবর নেয়ার জন্য। অবশেষে জানতে পারবে
 যে মানুষটা রাতের পর রাত তোমার জন্য কেদেঁ চোখগুলো লাল করে ফেলতো
সে এখন আর গভীর  ঘুমে মগ্ন, যে মানুষটা তার সবকিছু বাদদিয়ে প্রতি মূহুর্তে তোমার  খোঁজ  রাখতো
সে এখন তার বন্ধের সাথে  ফুল মাস্তিতে  আছে।
যে মানুষটা তিন বেলা খাওয়ার  সময় জানতে চাইতে,  তুমি খেয়েছো কি না জানতে চাইতো।
আর এখন সে নিজে খেয়েই টুপ করে ঘুমিয়ে পরছে।
ঠিক সেই মুহুতেই তুমি তার  অভাবটা বুঝতে পারবে,
 তোমার প্রতি তার যে কোয়ারটুকু মুল্যটা বুঝতে পারবে ঠিক তখনই মনে হবে
মানুষটা তোমার জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলো,
তখন ইচ্ছা করলেও ফিরিয়ে  আনতে !
মনে মনে খুব চাইবে সে যেন আগের মত
 তোমাকে কেয়ার করে,
 কিন্তু তখন তুমি তাকে আর পাবে না,
সে আর ফিরে আসবে না কারন ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
 তুমি অনেক দেরি করে ফেলেছো,
অবহেলা খুব খারাপ একটা জিনিষ,  অবহেলার যন্তন্টা খুব তীব্র !
  কেউ সেই যন্তনা পেতে চায়না,
তোমার বাসার যে কবুতর গুলো কে একটু অবহেলা করে দেখো,
 দেখবে তোমার বাসায় আর আসবে না.... হারিয়ে যাবে.............!
আর আমি তো  মানুষ
পৃথীবিতে সাড়ে সাতশো কোটি মানুষের মধ্যে কেউ একজন
তোমার কেয়ার করছে,খুজ রাকছে।
এটা কোনে সাধারণ ব্যাপার  না,
এটা অনেক ভাগ্যের বিষয়,  তাই কখনো কারো অবহেলা করো না।
কারো কেয়ারকে তুচ্ছ মনে করো না,
 মনে রেখ কেয়ারের মূল্য তখনই বুঝবে পারবে......
যখন কেয়ার করার কেউ থাকবে না......
কেউ না...... !!!
আমি যখন থাকবো না তখন তুমি বুজবে 
কেমন ভালোবাসতাম হয় তো তখন বুজবে
এখন আমি পাগল পিছু ডাকি বার বার
বুজোনা ভালোবাসা আমার
আমার প্রেম কংল্ক দেয় সে তোমার প্রথম ভূল,
তাই বেদনার ছায়া হয়ে আমার জীবনে আজ শুধু তুমি...!!

প্রিয়তমা... তোমার কাছে আমার বলা শেষ কথা কথার স্রোতে শাখাওয়াত

                  প্রিয়তমা...
তোমার কাছে আমার বলা শেষ কথা
       কথার স্রোতে শাখাওয়াত


সুদর্শনা হৃদয়ে অদৃশ্য শুন্য ডাইরির পাতায়
অনেক অনেক কথা জমা হয়ে আছে !
কিন্তু কোন ভাষায় কীভাবে চিঠি লিখতে হয়
সেই ভাষা ও স্বার্পিক ব্যঞ্জনবর্ণগুলি ও আমার জানা নেই।
তার পরেও খাতা কলম হাতে নিয়ে লিখতে বসলাম।

অনেক বেশী তোমায় ভালোবাসি তাইতো আমি চাইনি তোমার জীবনে কোন কষ্ট থাক আমাকে নিয়ে এতোটাই নির্লজ্জভাবে আমি তোমাকে ভালোবাসি যে, তুমি আমাকে ঘৃণা করো "আর আমাকে ঘৃনা করাই তোমার জন্য ঠিক আমি মাঝেমধ্যে ভুলেই যাই তোমার জীবনের কথা তোমার ও একটা স্বপনো আছে নিজের মনের মাঝে তোমার প্রিয়ো মানুষটিকে নিয়ে আর এটা সবার জন্যই বিধাতা দিয়ে থাকে
নিজের মনের মানুষকে নিয়ে জীবন সংসার সাজানো  আর জীবনে হয়তো অনেকই অনেক ভাবে তার মনের মানুষকে মনের ভাব প্রকাশ করে
আমিতো তোমার মতো বড়  শিক্ষিত  মানুষ হতে পারিনি, এটা আমার ব্যাথতা। আর এটাও তো ঠিক যে,  সবাইকে নিয়ে ঘড়ঁ বাধাঁ যায়না
শিখিতো মানুষের একটা বিশেষ গুন থাকে অনেকই বলে শিক্ষিত  মানুষের জুতার বাড়িঁ খাওয়া ভালো "তাতে সঠিক ভুলের বিচার পাওয়া
যায় আর অশিক্ষিত মানুষের সাথে কথা বলাই উচিত না "কারোন
অশিক্ষিত মানুষের কাছে কিছু যুক্তি  থাকে ভুল বা উল্টা পাল্টা কথা দিয়ে সঠিককে ভুল প্রমান করা।
 তাই অশিক্ষিত মানুষের সাথে কোন কথা না বলাই শ্রেয়ো এবং ভালো।
এবং একটি কথাও সঠিক? কেউ যদি কাউকে সত্যিকার ভালোবাসে
তাকে ছেড়েঁ যেতে পারে না! আমিও হয়তো তোমাকে দেখার পর থেকে তোমাকে পাবার যে লোভ পাপ দিনের পর দিন কোরে যাচ্ছি এটাও পাপ। এর শাস্তি যেন বিধাতা আমাকে এই পৃথিবীতেই দিয়ে দেয়!
আমি তোমার প্রতি অন্যায় কোরেছি, শুধু তাই নয় দিনের পরে দিন তোমাকে পাবার আসায় কতো কিছুই বলেছি এবং যারা জানে তারা ও হয়তো তোমাকে অনেক মিথ্যা বা শয়তানি করে টিচ কোরে অনেক কথাই বলেছে,
এর জন্য  তুমি মনে কোন কষ্ট নিও না !
সব ভুলতো আমার কেন আমি তোমাকে দেখিয়ে ছিলাম ঐ স্বপ্ন গুলো "কারনে
আমি তোমাকে পাবার লোভ করেছিলাম বিশ্বাস করো আমি বুঝতে পারিনি তখন
এটা তোমার জীবনের সাজানো স্বপ্ন গুলোর মাঝে বিষ ঢেলে দিবে!
 আমিতো বুঝতে পারিনি এটা তোমার হাসিঁ খুশী জীবনটাকে
নষ্ট করে দিতে পারে এবং তোমাকে অনেক বাজে প্রশ্ন কোরতে পারে
তোমার পরিবার বা কাছের বন্ধুরা !
জানি আমি এবং বুঝতে পারি এটা হয়তো তুমি নিরবে
কাউকে বোঝাতে পারোনি এবং অনেক কষ্ট পেয়েছো হৃদয়ের মাঝে !
এমনিতেই সুন্দরী মেয়েদের প্রতি মানুষের বাজে মন্তবের শেষ নেই
কারো সাথে কথা বল্লে  "তারা খারাপ মাইন্ড করে বাজে কমেন্ট করে তাই তোমার অনেক হিসেব করে চলতে হয় তার মাঝে আমার  এমন ঘটনা,
 অনেকই
তোমাকে কষ্ট দিয়েছে মনেমনে খারাপ মাইন্ড করে তুমি আমাকে হয়তো কিছু বলতে পারোনি, তার কারনে হয়তো অনেক কষ্ট ও ঘৃনা বুকে জমা রেখেছো,
একটা কথা বিশ্বাস করো আমি তোমায় হৃদয়ের আপন কোরে মেনে নিয়েছি এবং কোন বিচার না করে তোমাকে ভালোবেসে যাচ্ছি !
সত্যিকার অর্থ কি দাড়াঁয় জানো ?
আমার ভালোবাসা অন্যায় পাপ তুমি আমাকে মাফ করনা প্রানের সখি "
আমি যে লোভ করেছিলাম তোমাকে ভালোবেসে  তুমি অবশ্যই বিধাতার দরবারে
আমাকে খমা করোনা "তোমার জীবনের এই অপ্রত্যশাসিতো এই ঘটনার জন্য আমিই দায়ী আমি বুঝতে পারিনি এটা আমার ভালোবাসা না এটা পাপ এটা লোভ
এটাও তো ঠিক যে আমি অশিক্ষিত
আমাকে ভালোবাসো কখোনোই তোমার সামাজিক অবস্থান ও তোমার মান সম্মানের উপর
কতো বড়  আঘাত করেছি সেটা বুঝতে পারি নাই,
  অনেক কষ্ট স্বীকার করেছি  নিজের মনের কষ্ট কাউকে বুঝাতে পারোনি,
কাউকে বলতে গিয়ে হয়েছো ছোট নিজের মনের মাঝে অনেক কষ্ট আছে !  তোমার বুকে জমা  যে কষ্ট একজন নারী হিসেবে কারো কাছে বলা যায়না। কিন্তু দিনের পর দিন তুমি মেনে নিয়েছো সমাজ ও বাজে মানুষের বাজে মন্তবের ভয়ে, বিশ্বাস করো তুমি তোমার কোন ভুল নেই আর না কোন পাপ  তুমি মনের গভীর থেকে
বিধাতার দরবারে আমাকে অভিশাপ দিও বিধাতা অবশ্যই তোমার ডাক শুনবে,
এবং তিলে তিলে আমাকে আঘাত করবে তোমার থেকে চার গুন বেশী। এটা সত্যিই যে মানুষ নিজের অবস্থান বিচার না করে আরেক জন কে তার নিজের লালোসার স্বীকার বানাতে চায় তার থেকে খারাপ মানুষ আর হতে পারেনা,
তুমি আমাকে খমা করোনা সখি বিধাতার কাছে বিচার দাও !  তিনি সঠিক
বিচারক তিনি অবশ্যই তোমার জীবনের এই খতির বিচার অবশ্যই করবে,
তুমি স্বাধীন আমি তোমার স্বাধীনতার উপর জুলুম করেছি নিজের স্বাথের জন্য !
আমি অনেক কালো মানুষ দেখতে খারাপ
অশিক্ষিত কারো সাথে প্রেম ভালোবাসা করি নাই তো
কোনদিন তোমার থেকে সুন্দর আমি জীবনে
আর কাউকে দেখিনাই তো তাই তোমাকে পাবার জন্য কতো কেদেঁছি বিধাতার কাছে  কিন্তু বিধাতাতো সর্বশক্তিমান তিনি আমাকে সঠিক ভাবেই শাস্তি দিয়েছেন এবং বু্ঝিয়ে দিয়েছে লোভ করার শাস্তি কি যদি পারো খমা করে দিতে এই অবুঝ মনের মানুষটাকে তবে দিও আর না হয় আমার  পাপের বিচার চেওয়ে এমন শাস্তি যেন আমাকে দেয়া হয় "পৃথিবীতে আমার মতো লোভি দৃষ্টিতে
যারা এই সমাজে   তোমাদের মতো শিক্ষিত মেয়েদের জীবনটাকে নষ্ট করে দিতে চায় তারা যেনো মৃত্যুর আগে অবশ্যই এর শাস্তি পেয়ে যায় !
বিশ্বাস করো প্রানের সখি আমি তোমাকে নিয়ে জীবন সংসার সাজাতে চেয়েছিলাম।
একবার এর জন্য ভাবিনি তোমার ও প্রিয়োজন মনের মানুষ থাকতে পারে। শুধু নিজের চিন্তা করেছি তোমার জীবনের কথা ভাবিনাই
তোমার ও পরিবার আছে তাদের অনেক কষ্ট ও ঝড়ঁ বিপদ আপদে তোমাকে শিখিতো  ও সামাজিক মরজাদা দিয়ে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত  করেছে  !
 তাদের একটা স্বপ্ন  আছে তাদের মেয়ে ও যদি তোমার ভাই থাকে তাদের
সবার একটা স্বপ্ন  আছে ভালো শিক্ষিত  সামাজিক মান সম্মান স্মপূর্ন একটা
ছেলের সাথে বিয়ে দিতে !
 তুমি তাদের কে বলো যদি পারে আমাকে মাফ করে দিতে।
আমি শুধু তোমার কাছে নয় তাদের কাছেও অপোরাধী
তাদের বলো আমি তাদের কাছে পায়ে হাত দিয়ে খমা চাই। আমি বুঝতে পারিনাই এতে তাদের মনের মাঝে অনেক ঘৃনা আছে তাদের বলো
আমাকে যেনো অভিশাপ দেয় "পচেঁ পচেঁ যেন আমার মরন হয়
আর তুমি ও তোমার বন্ধুদের কাছে একটাই কথা?
আপনার ওকে খারপ ভাববেন না,
দোষ সববি আমার "আমি সত্যি বলতে যেটা বুঝি
আমার হয়তো মানুষিক প্রতিবন্ধী সমস্যা আছে !
যেটা স্বপ্ন  দেখি সেটা সত্যি ভাবি নিজের অবস্থান বিবেচনা না করে
দিনের পর দিন তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছি এটা পাপ বুঝতেই পারি নাই।
ভেবেছি ওই সেই মানুষ যার সাথে আমার জন্ম জন্মানতরে সম্পরকো ছিলো ঐ সেই
যার জন্য আমার জন্মো হয়েছ  সত্যিতো এটাই ওটা ভালোবাসা ছিলোনা ওটা আমার ভূল দারনা  ছিলো  আপনারা সবাই যদি সম্ভব হয় আমাকে মাফ করে দিবেন।
আমি খারাপ মানুষ এবং তার পরিচয় তো দেয়াই আছে, "তার কারোন আমি নিজের কথা ভেবে একটা  মেয়েকে নিয়ে দিনের পরে দিন মিথ্যে স্বপ্ন দেখিয়েছি এবং তাকে অনেক মানুষিক হয়রানি করেছি  এটা পাপ এর শাস্তি বিধাতা আমাকে অবশ্যই দিবেন !
তুমি নিশ্চিত থাকো তোমার উপর আমি যে অন্যায় ও অবিচার করেছি এর শাস্তি অবশ্যই বিধাতা আমাকে দেবেন। তুমি নিশ্চিত থাকো বিধাতা অবশ্যই তোমার দোয়া কবুল করে নিবেন। আমাকে  তুমি ক্ষমা করোনা সখি,  আমি তোমার জীবনের কলংকিতো অধ্যায় ! এটা সত্যি আমি তোমাকে ভালোবাসি কেন বাসি জানিনা "
আমি ফিরেয়ে দিতে পারবো না তোমার সেই সময় গুলো  !

তুমি আমাকে ক্ষমা করোনা সখি অভিশাপ দিও আমাকে  !
আমি একদিন ধীরেধীরে রাস্তার পাগল হয়ে পচেঁ পচেঁ মরবো এটা যে বিধির বিধান সখি !
এই পৃথিবীতে সব মানুষ তার কর্মের  ফল পাবেই "আমিও পাবো আমিতো তোমাকে অনেক হয়রানি করেছি বিক্ত করেছি
তোমায় মনেমনে আপন ভেবেছি তোমার ইচ্ছের বিরুদে ! কি করবো বলো আমার
মনে হয় আমি সত্যিই মানুষিক প্রতিবন্ধী আর মাথায় কোন সমস্যা আছে,
না হলে ভালো  কোন সুস্থ মানুষ এমন করে  নাকি  ?
আমি  করুনা চাইনা !  প্রোয়োজনে মানুষের
সমাজে বাস যদি নাইবা করতে পারি তাহলে  নিঝুম নিবাস তৈরি করবো নিজের হাতে !  তবুও কারো করুনার মায়া চাইনা আমার বিধাতা যদি সত্যিই থেকে থাকে
 না  তুমি অনেক সুখী হবে "এই দোয়া আমি যতো দিন
সুস্থ থাকবো ততো দিন অবশ্যই করবো, লোভবি বলো আর যাই বলো তোমায়
খুব দেখতে ইচ্ছা করে এবং অনেক কথা বলতে মনচায় !
কাকে বলবো আমার কথা কেইবা করবে বিশ্বাস বলো !
 তুমিতো আমাকে ভুলতে পারোনি আমি জানি যতো ঘৃণা আছে তোমার করো আমাকে
 এটাই যে আমার ভালোবাসার উপহার !
 বিধাতাকে বলার বা চাওয়ার কিছুই নাই আমার একটা চাওয়া আছে এখন বাকি আমি পাগল হয়ে যাবার আগে যেন আমাকে ঐ পারে নিয়ে যায় !
যখন আমি মানুষিক ভারসাম্যহীনতা হারিয়ে ফেলবো
আমার বাবা, মা, ভাই, বোনের অনেক সমস্যার সমমুখীন হতে হবে। আমি চাইনা
আমার পাপের শাস্তি তারা পাক। আজ থেকে আমি বলবো বিধাতাকে আমাকে
এতো বড় শাস্তি যেনো না দেন !  বিধি আমি যেন তার আগেই ঐ পারে যেতে পারি আমার আর কিছুই পাবার নেই সববি তো পেয়েছি।
মা বাবার ভালোবাসা, ভাই বোনের ভালোবাসা " পরি পূণো আমার জীবন।
সব চাওয়া তো আর পিথিবীতে পূরন হয়না !
আমি ও না হয় নাইবা পেলাম হৃদয়ের মানুষের ভালোবাসা।
কষ্ট কি.... আমার কোন কষ্ট নাই সববি পেয়েছি প্রেম বাকি ছিলো সেটাও তো পেয়েছি
 যদিও  স্বপ্ন  তবে এটাই স্যতি....  ভালো থেকো তুমি..!......



 আবার আশিবে ফিরে
এই পৃথীবি নামক স্থান জুরে
হয় তো বা শাখাওয়াত  নামের উৎসবরে ভিরে
মানুষ জীবনে কত আশাই না করে
কিন্তু সব কি আর হয়।
তেমনি করে সব সুখ সবার কপালে সয়না
         আমার কপালেও সয়নি
                                 তোমার দেয়া খনিকের
                      ভালোবাসার সুখ !



ইতি ---    শাখাওয়াত হোসাইন  { শান্ত }

নুসরাত হত্যায় অধ্যক্ষ সিরাজসহ ১৬ আসামির ফাঁসি










                       ফিরেদেখা  বাংলাদেশ



বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘিরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আদালতসহ ফেনীতে বাড়তি নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদাসার সাবেক অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, হাফেজ আব্দুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ওরফে তুহিন ওরফে শম্পা ওরফে চম্পা, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মোহাম্মদ শামীম, মাদরাসার গভর্নিং বডির সহ-সভাপতি রুহুল আমীন ও মহিউদ্দিন শাকিল।
ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার ৫০ দিনের মাথায় দেয়া হয় মামলার চার্জশিট। আর ছয় মাসের মাথায় আজ ঘোষণা করা হয়েছে মামলার রায়।
নিজ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার যৌন নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় গত ৬ এপ্রিল নুসরাতের শরীরে আগুন দেয়া হয়। ১০ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে মারা যায় সে। ঘটনার পর ৮ এপ্রিল আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত চারজনকে আসামি করে সোনাগাজী থানায় মামলা করেন নুসরাতের ভাই নোমান। শুরুতে থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে মামলা পিবিআইকে হস্তান্তর করা হয়।

প্রবাসীদের বিমানবন্দরে কোন রকম হয়রানি করা হলে কল করুন 01712207227 (RAB এর নির্বাহী ম্যজিস্ট্র্যাট জনাব সারওয়ার আলম

প্রবাসীদের বিমানবন্দরে কোন রকম হয়রানি করা হলে কল করুন 01712207227 (RAB এর নির্বাহী ম্যজিস্ট্র্যাট জনাব সারওয়ার আলম) অহেতুক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি করলে বা অন্য কোথায় হয়রানির শিকার হলে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যজিস্ট্র্যাট জনাব সারওয়ার আলম। প্রবাসীদের আয়োজনে একটি অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। প্রয়োজনে সরাসরি আমার মুঠোফোন নাম্বারে কল অথবা মেসেজের মাধ্যমে হয়রানির শিকার প্রবাসীরা অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। ওনি আরো বলেন আমাকে কল দিবেন। কল না ধরলে ম্যাসেজ দিয়ে রাখবেন। আমি পরদিন কল দিব বা তার পর দিন কল দিব। যে কোন সমস্যা হলে তা রেকর্ড করে রাখবেন। আমাকে দিবেন। আমি ব্যাবস্থা নিব।

এ দেশে কোনো আইন নেই, কোনো ন্যায়বিচার নেই, বললেন ভিপি নুর!

রাজনীতিঃ ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর সাংবাদিকদের এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ছাত্রলীগের স’ন্ত্রাসীরা আমার ওপরে ৮ বার হা’মলা করেছে, ডাকসুর ভিপি হওয়ার পরেও কয়েকবার হা’মলা করেছে,এখন পর্যন্ত তার কোনো বিচার হয়নি। আমাকে পি’স্তল নিয়ে গু’লি করে হ’ত্যা করার হু’মকি দিয়েছে, তারপরে থানায় জি’ডি করতে গিয়েছি,পুলিশ আমার জি’ডি নেয়নি।এ দেশে কোনো আইন নেই, কোনো ন্যায়বিচার নেই।
ছাত্র সংগঠনগুলো আছে দেশনেত্রী নিয়ে, এটা কোনো ছাত্র রাজনীতি? ছাত্র রাজনীতির মধ্যে কতগুলো বাটপার আছে যারা জাতীয় নেতা। যে ছেলে হলে ছাত্রনেতা থাকা অবস্থায় ফাও খায় ও জাতীয় নেতা হয়ে দেশের কি উপকার করবে?সাংবাদিকরা বলেন, সম্প্রতি আবরারের যে ঘটনা ঘটেছে, এ ঘটনার পর দেশ জুড়ে একটা আলোচনা শুরু হয়েছে। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে কথা বলছে। আমরা দেখেছি যে, শুধু আবরারের ঘটনাই না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন জায়গায় এই যে একধরনের দখলদারিত্ব, নি’র্যাতন এটা কিন্তু আগে থেকেই ছিল। এটা কেন হচ্ছে আপনে কি মনে করেন?

এ প্রশ্নের জবাবে নুর বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি, যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে, তাদের একটা প্রবণতা থাকে যে বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাঙ্গনকে নিয়ন্ত্রণ করার। তখন তারা ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে এবং দলীয় আনুগত্য যারা খুব ভালোভাবে পালন করতে পারে সেরকম কিছু লোককে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনার জন্য প্রশাসন হিসেবে নিয়োগ দেয়।

বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবীতে মুন্সীগঞ্জে সভা

মুন্সীগঞ্জে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তির দাবীতে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২৬ শে অক্টোবর ২০১৯ইং তারিখে ঢাকা আইনজীবী সমাবেশ সফল করার লক্ষে বুধবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে এ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখে গনতন্ত্র ও খালেদা জিয়া মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন জাতীয় নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান এডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। বক্তব্যে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি গনতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ভোটার বিহীন জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবী করেন।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফেরামের মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক এডভোকেট তোতা মিয়ার সভাপতিত্বে এবং এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান এর সঞ্চালনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন এডভোকেট মো: আব্দুল হামিদ ভাসানী ভ’ইয়া,মুন্সীগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট জাকারিয়া মোল্লা। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র আইনজীবী রোজিনা ইয়াসমিন,জাহাঙ্গীর হোসেন ঢালী,আসাদুজ্জামান ইকো,মো: হান্নান জুয়েল প্রমুখ।

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে ইলিশ ধরার সময় ভারতীয় এক জেলেকে আটককে কেন্দ্র করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের মধ্যে গো’লা’গুলির ঘটনা ঘটেছে। বিএসএফের বরাত দিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে, এতে এক বিএসএফ সদস্যের মৃ;ত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও এক বিএসএফ সদস্য। বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে জেলার চারঘাট উপজেলায় বড়াল নদীতে পদ্মার মোহনায় এ ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিজিবি’র পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। তবে এর আগে বিকেল ৩টার দিকে বিজিবির রাজশাহীর ১ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পরিচালক মেজর আসিফ বুলবুল সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ভারতীয় একজন জেলে তাদের কাছে আটক রয়েছে। বিকেল ৪টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফ কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক ডাকা হয়েছে। এরপর থেকে বিজিবির কোনো কর্মকর্তা ফোন ধরেননি।
সন্ধ্যা ৬টার দিকে চারঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সমিত কুমার সাংবাদিকদের জানান, বিকেল ৪টার বৈঠক একঘণ্টার জন্য পিছিয়ে দিয়েছে বিএসএফ। তাদের একজন জওয়ান মারা গেছে দাবি করে তারা একঘণ্টা বৈঠক পিছিয়ে দেয়। তবে তারা ৫টা ৪০ মিনিটে পতাকা বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন বলে জানান তিনি।
চারঘাট উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, প্রজনন মৌসুমের জন্য এখন নদীতে ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ অবস্থায় বিজিবি সদস্যদের নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে নদীতে অভিযানে যাওয়া হয়। দেখা যায় পদ্মা-বড়ালের মোহনায় বাংলাদেশের সীমানার ভেতর একটি নৌকায় করে তিন জন ভারতীয় জেলে ইলিশ মাছ শিকার করছেন। তাদের আটকের চেষ্টা করা হলে দু’জন পালিয়ে যান। আর প্রণব মন্ডল নামের একজনকে আটক করা সম্ভব হয়। এ সময় পালিয়ে যাওয়া জেলেরা গিয়ে বিএসএফকে বিষয়টি অবহিত করে।
আরিফুল ইসলাম বলেন, বিএসএফ সদস্যরা এসেই গু’লি ছুঁড়তে শুরু করে। বিজিবিও এসময় আত্মরক্ষায় পাল্টা গু’লি করে। দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েক রাউন্ড গু’লি বিনিময় হয় এসময়। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা পিছু হটে। প্রণব মন্ডলকে বিজিবির চারঘাট করিডর সীমান্ত ফাঁড়িতে আনা হয়। জব্দ করা হয়েছে তার ইলিশ মাছ শিকারের জালও। এ বিষয়ে বিজিবি সদর দফতরে যোগাযোগ করা হলে গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা মো. মহসিন রেজা সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সারাবাংলাকে জানান, কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘটনাটির বিস্তারিত জানানো হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল পৌনে ৭টার দিকে সারাবাংলাকে বলেন, আমি এমন একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এদিকে, হিন্দুস্তান টাইমস, এনডিটিভিসহ ভারতীয় গণমাধ্যমগু’লো দাবি করছে, জিরো পয়েন্টে বিজিবি’র গু’লিতে বিএসএফের হেড কনস্টেবল বিজয়ভান সিংহ মারা গেছেন। রাজবীর সিং নামে আরও এক বিএসএফ সদস্য আহত হয়েছেন।

ব্রেকিং নিউজ
ভারত সফরের জন্য টি টুয়েন্টির দল ঘোষণা ঽয়ছে
দলে ফিরেছেন আল আমিন এবং আরাফাত সানি


বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হ’ত্যা’র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন দেশের মানুষ। নানা পেশার মানুষ যার যার অবস্থান থেকে এ হ’ত্যা’র বিচার চাইছেন। সেই প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সংগঠনের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।
সেখানে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেছেন, ‘এই ঘটনা আমাদের হৃদ’য়কে ব্যথিত করেছে। আল্লাহ আবরার ফাহাদের বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন ও সহপাঠী সকলকে এই কঠিন মু’হূর্তে ‘ধৈর্য্য ধারণ করার তৌফিক দেন। সেইসাথে দোষীদের বিচারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে আশ্বাস প্রদান করেছেন তার উপরও আস্থা রয়েছে আমাদের।
আবরারযেখানে মেধার চর্চা হয় সেখানে প্রাণহরণ কখনই কাম্য হতে পারে না। এ ধরনের ঘটনা অ’নাকা’ঙ্খিত, অনভিপ্রেত ও হৃদয়বিদারক। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেন এমন ঘটনার পুন’রাবৃ’ত্তি না হয় এই ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা ও সহমর্মিতা আশা করছি।’ইলিয়াস কাঞ্চন আরও বলেন, ‘দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে যাতে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত এবং এমন ম’র্মা’ন্তিক ঘটনার পুন’রাবৃত্তি না হয় তার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মহলের হস্তক্ষে’পও কামনা করছি।’

    মাদক  আমাদের  সমাজকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?  নিষিদ্ধ জগতে অস্ত্রের পর মাদকই সবচেয়ে লাভবান ব্যবসা। বিশেষ করে ফেনসিডিল ও ইয়াবা গাজা সহ জলভ...